Home বঙ্গ উত্তমকুমারের চিত্রগ্রাহক বৈদ্যনাথ বসাক মারা গেলেন।

উত্তমকুমারের চিত্রগ্রাহক বৈদ্যনাথ বসাক মারা গেলেন।

by banganews

উত্তমকুমারের চিত্রগ্রাহক সাদা-কালো বাংলা ছবির অশীতিপর প্রতিভাবান চিত্রগ্রাহক বৈদ্যনাথ বসাক মারা গেলেন। অবশেষে অভাবকে সঙ্গী করেই চলে গেলেন বৈদ্যনাথ বসাক। বৃহস্পতিবার রাত তিনটে নাগাদ নিজের বাড়িতেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন প্রবীণ চিত্রগ্রাহক। প্রসঙ্গত, বৈদ্যনাথবাবু ক্যামেরার কাজ শুরু করেছিলেন রাজ কাপুরের ‘বুট পালিশ’ ছবি দিয়ে । কিন্তু তাঁর চলে যাওয়াটা সকলের অগোচরেই থেকে গেল।

আরো পড়ুন – চলে গেলেন বাসু চ্যাটার্জি। শোকের ছায়া সিনেমহলে

রহড়া রামকৃষ্ণ মিশনের অন্নপূর্ণা প্রকল্পে নিজের দুপুরের অন্ন জোগাতে রোজই যেতেন তিনি। খাওয়া শেষে নিজের থালা ধুয়ে বিশ্রাম নিয়ে ফিরতেন দু’কিলোমিটার হেঁটে। ২০১৮ সালে প্রথমবার সামনে আসে তাঁর খবর। প্রকাশ্যে আসে জনপ্রিয় এই চিত্রগ্রাহকের দৈন্যদশা। অসাধারণ কিছু বাংলা ছবিতে তিনি তার ক্যামেরায় নিপুণতা দেখিয়েছেন। সেগুলি হল অগ্নিপরীক্ষা, ছদ্দবেশী, খোকাবাবুর প্রত্যাবর্তন, নায়িকা সংবাদ, সূর্যসাক্ষী, সাগরিকা, সবার ওপরে, লালু ভুলু ও আরো অনেক। প্রসঙ্গত,মহানায়ক উত্তম কুমারের সঙ্গে চিত্রগ্রাহক হিসেবে তাঁর সম্ভবত সবথেকে বেশি ছবিতে কাজ রয়েছে।
এককালে দক্ষ হাতে ক্যামেরা সামলানো মানুষটির জীবনের চাকা ঘুরেছে অন্য পথে। রামকৃষ্ণ মিশনের অন্নপূর্ণা প্রকল্পই ছিল ৯৪ বছরের কাঁপা হাতের একমাত্র সহায়। একসময় নেপালের রাজবাড়ি আলোয় সাজিয়েছিলেন যিনি, আজ তাঁর এই জীর্ণ অবস্থা। খবর প্রকাশ্যে আসার পর এগিয়ে এসেছিলেন অভিনেতা-প্রযোজক দেব। সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় ও মাধবী মুখোপাধ্যায়রাও সাহায্য করেছিলেন তাঁকে।
পঞ্চাশের দশক।

আরো পড়ুন – দু তক্তা শ্রীরামপুরী কাগজ লম্বালম্বি চার টুকরোয় কেটে গদের আঠা দিয়ে জুড়ে রাখা হয়েছে। জিনিসটার নাম দেওয়া হয়েছে ‘স্বপ্নের মোড়ক’।’ : ঠাকুরবাড়ির গল্প

You may also like

1 comment

Leave a Reply!