Home স্বাস্থ্য বাচ্চাদের শরীরের খেয়াল রাখছেন কিন্তু মনের? সন্তানের মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখার কিছু উপায়

বাচ্চাদের শরীরের খেয়াল রাখছেন কিন্তু মনের? সন্তানের মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখার কিছু উপায়

by banganews

বিগত 3 মাস আমাদের সকলের জন্য বিশেষত বাচ্চাদের যারা এই পরিবর্তিত সময়ের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে বাধ্য হয়েছিল তাদের স্কুল খেলার মাঠ সব বন্ধ৷ ,তাই খেয়াল রাখতে হবে বাচ্চাদের মানসিক ও শারীরিক সুস্থতার। লকডাউন কেবল বড়দের নয় বাচ্চাদের মনেও প্রভাব ফেলেছে৷ ষ্টিকর খাবার: স্বাস্থ্যকর এবং পুষ্টিকর খাবার মানসিক এবং শারীরিক সুস্থতার অন্যতম শক্তিশালী সরঞ্জাম। এই মুহুর্তে একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হ’ল আমাদের সন্তানের প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করা। ফল এবং সবুজ শাকসব্জি তাদের প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করার পাশাপাশি শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ রাখে। এই মস্তিষ্কযুক্ত খাবারগুলি তাদের মনকে তীক্ষ্ণ করে তোলে, তাদের মেজাজকে স্থিতিশীল করে তোলে, উদ্বেগ, বাইপোলার ডিসঅর্ডার, হতাশা ইত্যাদির মতো মানসিক স্বাস্থ্যের পরিস্থিতি প্রতিরোধে সহায়তা করে।

আরও পড়ুন অগাস্টের পরেই খুলবে দেশের সমস্ত স্কুল-কলেজের দরজা

১/ পুষ্টিকর খাবার ব্যায়াম, বিশ্রাম এবং স্ট্রেস হ্রাস হ’ল কয়েকটি প্রধান ক্ষেত্র যা আপনার শিশুকে ভারসাম্য তৈরি করতে সহায়তা করতে পারে যা উপযুক্ত মন এবং শরীরকে নিশ্চিত করবে।
২. ঘরে বসে মজাদার খেলা করুন বাচ্চার সঙ্গ। বাচ্চারা সবসময় নতুন কিছু করতে চায়৷ , রঙিন কার্ড, কাঁচি ইত্যাদির সাহায্যে মজাদার এবং সৃজনশীল কিছু তৈরি করুন৷ এটি তাদের উদ্বেগ প্রশমিত করতে এবং আপনার সন্তানের ফোকাসকে তীক্ষ্ণ করতে সহায়তা করবে।
৩/ দেহ সঞ্চালনার জন্য সাধারণ গৃহস্থালি কাজকর্ম করার সময় ছোটখাটোকাজে বাচ্চাকে যুক্ত করুন৷ আর্ট এবং ক্র্যাফট, ধাঁধা বা লেগো নির্মাণ ইত্যাদি করার সময় তাদের সাথে নিজেকে জড়িত করুন, তাদের কিছু করার জন্য চাপ দেবেন ন। ইচ্ছেমত বেছে নিতে দিন।

আরও পড়ুন নিয়ম মেনে চলবে রেস্তোরাঁ- ঠিক কি কি ঘটলো বদল

৪ /রাতের খাবারের পরে বারান্দা বা লবি অঞ্চলে হাঁটুন। তাদের এটি পছন্দ করার জন্য তাদের স্থান দিন। এটি তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি করবে এবং আলাপ আলোচনায় সাহায্য করবে৷
৫ /তাদের প্রশংসা করুন যদি আপনার বাচ্চারা কোনও নতুন পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে নিতে সংগ্রাম না করে, তাদের প্রতিটি ইতিবাচক প্রচেষ্টাকে প্রশংসা করুন। এটি ইতিবাচক মানসিক মনোভাব বজায় রাখতে এবং তাদের উত্সাহিত করতে সহায়তা করবে।
৬/ পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম দরকার৷ বিছানায় ঘুমানো এবং একই সাথে ওঠা বাচ্চাদের মনস্তাত্ত্বিক সুস্থতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পর্যাপ্ত ঘুম তাদের কাজগুলিতে দীর্ঘস্থায়ী করে তোলে এবং ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিতে আরও সক্ষম করে।

You may also like

1 comment

Leave a Reply!