Home বিনোদন সৌম্য ব্যানার্জী এবং অরুণাশিষ রায় এর গান রাজকীয় নান্দনিক এক সুরেলা সফর

সৌম্য ব্যানার্জী এবং অরুণাশিষ রায় এর গান রাজকীয় নান্দনিক এক সুরেলা সফর

by banganews

কাব্য এবং সঙ্গীতময়তাই গজলের প্রাণ৷ ভারতীয় ধ্রুপদী সঙ্গীতের বিশেষ ঘরানা গজল যেখানে প্রেম বিরহের অপূর্ব সংমিশ্রণ লক্ষ্য করা যায়৷  ঐতিহ্যমণ্ডিত গজল রচনার কাজ এই সময় কিছুটা কমে এলেও “ইয়ে ক্যায়সি আঁগ সি হ্যায়” গানের সম্পূর্ণ নির্মাণে সৌম্য ব্যানার্জী অবশ্যই স্বকীয়তার দাবিদার৷ অরুণাশিষ রায়ের কণ্ঠে গীত এই গজল প্রকাশিত হয়েছে “Reach Music” ইউটিউব চ্যানেলে।

ছন্দের ধীর লয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই কথার গভীরতা এই গানে বিশেষ লক্ষ্যণীয়। ভিডিও নির্মাণে রয়েছে বনেদিয়ানা৷ আসবাব থেকে পোশাক পরিচ্ছদ সবেতেই রাজকীয়তা এবং আভিজাত্যের প্রকাশ৷ মনের গভীর অনুভূতি, প্রেমের আর্তি সুরসমন্বিত কিছু শব্দের মাধ্যমে প্রকাশিত৷ গানকে সুন্দর করে তুলেছে নৃত্য এবং পারিপার্শ্বিক নান্দনিকতা৷ দৃশ্যায়নের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে বলতেই হয় অন্দরমহলের আভিজাত্যের কথা৷ গানের প্রতিটি কথা এবং ভাবের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রেখেই সাজানো হয়েছে সবকিছু৷ কথায় সুরে যে আভিজাত্যের ছোঁয়া দৃশ্যায়ন সেই রাজকীয়তার পরিপূরক হয়ে উঠেছে৷

বুস্টার ডোজ কারা পাবেন?

সৌম্য ব্যানার্জী জানান, এই একই সুরে বছর দুয়েক আগে “বৃষ্টি ভেজা স্বপ্ন” বলে বাংলা গান বানিয়েছিলেন। মিয়া মল্লার রাগের এই বৃষ্টিভেজা সুর শ্রোতাদের মন জয় করার পর সৌম্য ব্যানার্জীর  এক্সপেরিমেন্টাল এই গজল আগুনকে কেন্দ্র করে৷ মনের অনুভূতির সেই আগুনে প্রেমের অন্তর্দহন৷ কাব্যে এবং ছন্দে গীতিময়তা বর্তমান৷ শিল্পনৈপুণ্য বলে দেয় না বলা অনেক কথা৷ দুটি মানুষ পাশাপাশি থেকেও একে অপরের মন ছুঁতে পারেনা। প্রাচুর্যের মধ্যে থেকেও অন্তরের সূক্ষ্ম অনুভূতিতে রয়ে গিয়েছে অভাববোধ৷ যা সঙ্গীতের মধ্যেকার সেই আগুনের সমার্থক৷

এর আগেও সৌম্য ব্যানার্জী এবং অরুণাশিষ রায় একাধিক গজল উপহার দিয়েছেন৷এর আগেও সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অরুণাশিষ রায় “Ghazalike” নামের একটি অ্যালবাম করেন৷ শ্রীকান্ত আচার্য এর মতে, অরুণাশীষ রায় এই সময়ের অন্যতম সেরা গজল গায়ক৷ সৌম্য ব্যানার্জির কম্পোজিশন নিয়ে বলতে গিয়ে ঐতিহ্য এবং আধুনিকতার অপূর্ব “সংশ্লেষ” এর কথা বলেন শ্রীকান্ত আচার্য।  ইন্দ্রাণী সেন অরুণাশীষ এর গায়কী এবং কণ্ঠস্বর এর প্রশংসা করেছেন৷ তাঁর মতে, অরুণাশীষ এর কণ্ঠে “ঝিম ধরানো” বিষয়টি থাকায় অনেক বেশি শ্রতিমধুর হয়ে উঠেছে গানগুলি৷
বিভিন্ন রাগ রাগিণীর এক্সপেরিমেন্ট করতে ভালোবাসেন সৌম্য৷ বছর ১৫ ধরে ধ্রুপদী সঙ্গীতের চর্চা করেন সৌম্য ব্যানার্জী৷ পেশায় কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার।  সেইসঙ্গে সঙ্গীতের রসায়ন, সম্পর্কের রসায়ন নিয়েও নিত্য নতুন সমীকরণের সঙ্গে দিনযাপন করছেন সৌম্য ব্যানার্জী৷

You may also like

Leave a Reply!