Home পাঁচমিশালি পৃথিবীতে ১০ টি বুদ্ধিমান প্রাণীর একটি কাঠবিড়ালি

পৃথিবীতে ১০ টি বুদ্ধিমান প্রাণীর একটি কাঠবিড়ালি

by banganews
কাঠবিড়ালি কাঠবিড়ালি পেয়ারা তুমি খাও? ছোট হোক কি বড় কাঠবিড়ালির এদিক ওদিক লাফানো দেখলে ছোটবেলার এই লাইনটা মনে আসেই৷
অত্যন্ত মিষ্টি স্বভাবের ছোট্ট প্রানী কাঠবিড়ালি। ঝাঁকড়া লেজ উঁচিয়ে খাবারের খোঁজে রান্নাঘর থেকে চিলেকোঠা সর্বত্রই এর অবাধ যাতায়াত। সহজেই এরা মিশে যায় মানুষের সঙ্গে। শুধু তাই নয়, পৃথিবীর ১০ টি বুদ্ধিমান প্রাণিদের মধ্যে কাঠবিড়ালি একটি। প্রায় ত্রিশ মিলিয়ন বছর ধরে পৃথিবীতে বাস।

An American red squirrel.

উড়ন্ত কাঠবিড়ালি লম্বায় প্রায় ১৬ সেন্টিমিটার। ওজন দেড়শো থেকে দুশো গ্রাম। এরা এক গাছ থেকে অন্য গাছে যাওয়ার সময় এর বিশেষ অঙ্গ – প্রত্যঙ্গ গুলিকে বাঁকিয়ে প্যারাসুট আকৃতি করে নেয়। ৪৫ মিটার বা তার খানিক বেশি দূরের গাছ হলেও এরা উড়ে উড়ে যেতে পারে। শরীর ও পায়ের মধ্যবর্তী অংশ পাতলা চামড়া দিয়ে জোড়া থাকে যার জন্য এরা উড়তে সক্ষম হয়।
মালাবার জায়ান্ট কাঠবেড়ালি দেখা যায় দক্ষিণ ভারতের জঙ্গলে। এর লেজ অন্যান্য কাঠবিড়ালিদের থেকে বেশিই লম্বা তাই ওজনেও বেশ ভারী। লাল কালো ভেলভেটের মতো গায়ের রঙ।
গ্রাউন্ড কাঠবেড়ালির বাস আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ায়। এরা মাটির মধ্যে বাসা করে বাচ্চাকে নিরাপদে বড় করে তোলে। ছয় সপ্তাহ পর্যন্ত বাচ্ছারা গর্তেই থাকে। এদের প্রধান শত্রু হল র্যাঁটেল স্নেক। সাপের হাত থেকে বাঁচতে এরা সাপের অবস্থান ও গতি প্রকৃতি মাপার জন্য একধরনের পাথরের ব্যবহার করে।
আরো পড়ুন 
চিপমাঙ্ক সবচেয়ে খুদে সদস্য। দেহের আকার ক্ষুদ্র হওয়ায় পর্যাপ্ত পরিমাণ চর্বি দেহের মধ্যে রাখতে পারেনা। তাই এরা শীতের বেশির ভাগ সময় ঘুমিয়ে কাটায়। কারণ জেগে থাকলেই দরকার হবে খাদ্যের, যদিও শরৎকাল থেকে এদের খাদ্যের জোগাড় শুরু হয়ে যায়। জানা যায়, এদের চোয়াল ও গাল এতোটাই নমনীয় যে ছয় থেকে আটটি বাদাম অনায়াসেই ধরে যায় সেখানে।
বার্কলে ফক্স কাঠবিড়ালি মূলত গাছপালাতেই ঘুরতে দেখা যায়। লেজটি পশমের মত। এর মাথার আকৃতি বেশ বড়ো প্রকৃতির হয়।

You may also like

Leave a Reply!