Home বঙ্গ করোনা আবহে অর্ডার না পেয়ে মাথায় হাত মৃৎশিল্পীদের।

করোনা আবহে অর্ডার না পেয়ে মাথায় হাত মৃৎশিল্পীদের।

by banganews

নন্দকুমার, ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২০:  ‘কুমোর পাড়ার গোরুর গাড়ি, বোঝাই করা কলসী-হাঁড়ি’র ছবি আজ অতীত। তবুও হাজারো প্রতিকূলতা সত্বেও কোন রকমে নিজেদের প্রাচীণ ও ঐতিহ্যময় পেশা আগলে বেঁচে রয়েছেন এক শ্রেণীর মৃৎশিল্পীরা। কিন্তু ‘করোনা’র আগমণ যেন সব কিছু ওলট পালট করে দিয়েছে।

আরও পড়ুন বিপর্যস্ত ভারতীয় অর্থনীতি, চলতি বছর শোচনীয় জিডিপি-র পূর্বাভাস

মারণ ভাইরাস ‘করোনা’ সতর্কতায় ‘লক ডাউনে’র দিন গুলিতে কেমন আছেন মৃৎশিল্পীরা? তা দেখতেই আমরা গিয়েছিলাম পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দকুমার থানার ঠেকুয়া বাজার এলাকার মৃৎশিল্পীদের কাছে। এখানকার মৃৎশিল্পীরা মাটির হাঁড়ি, কলসী তৈরীর পাশাপাশি বিভিন্ন ধরণের প্রদীপ, ধূনোচুর, সরা, টব ইত্যাদি তৈরী করেই জীবিকা নির্বাহ করেন।

সারা বছর সেভাবে বিক্রি না হলেও বিশ্বকর্মা পূজা থেকে শারদোৎসব সহ অন্যান্য পুজো পার্বনের আগে খুব ভালো বিক্রি হতো তাঁদের। কিন্তু এবছর ‘করোনা’র উপস্থিতির জেরে চলতি মরশুমে কোনও ধরণের সামাজিক অনুষ্ঠান না হওয়ার এখন চরম দূর্বিষহ অবস্থার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে মৃৎশিল্পীরা। এমনটাই জানিয়েছেন তাঁরা।

আরও পড়ুন বিরোধী থাক, বিরোধ নয়—গোটা দেশের ‘বড়দাদা’ প্রণব

এখানকার মৃৎশিল্পী স্বপন পাল বলেন, মাটির জিনিসপত্র তৈরি ও তা বিক্রি করে আমাদের সংসার চলে। লকডাউনের কারণে বিক্রিবাটা নেই। সামনে শারদোৎসব, সেই আশায় রয়েছি। এবং আর এক শিল্পী সুদর্শন পাল বলেন, প্রতিবছর পূজোর আগে প্রচুর অর্ডার থাকে, পাশাপাশি এলাকায় যেমন তমলুক, কালিরহাট, নন্দকুমার, শ্রীরামপুর বিভিন্ন এলাকা থেকে অর্ডার আসে।কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে সেভাবে অর্ডার নেই এখন। খুব চিন্তায় রয়েছি আমরা। সবমিলিয়ে এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে জীবনধারণ করছেন তাঁরা।

You may also like

1 comment

Leave a Reply!