Home বঙ্গ জিএসটি ক্ষতিপূরণ ইস্যুতে মোদীকে চিঠি মমতার

জিএসটি ক্ষতিপূরণ ইস্যুতে মোদীকে চিঠি মমতার

by banganews

বঙ্গ নিউস, ০২ সেপ্টেম্বর, ২০২০ঃ  জিএসটি ক্ষতিপূরণ না দিয়ে রাজ্যগুলিকে টাকা ধার নেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া নিয়ে মমতার নিশানায় কেন্দ্র। করোনা আবহে গত এপ্রিল মাস থেকে বাকি পড়েছে রাজ্যগুলির জিএসটি ক্ষতিপূরণ। জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকের পর কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন জানান, রাজস্ব ঘাটতি মেটাতে দুভাবে ধার নিতে পারে রাজ্যগুলি। এর বিরোধিতায় সরব হয়েছে অবিজেপি রাজ্যগুলি। এনিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আরও পড়ুন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্ব র‍্যাঙ্কিংয়ে সংখ্যা বাড়ল ভারতের

দেশে অতিমারী অবস্থার আগে থেকেই দেশের অর্থনীতির গ্রাফ ক্রমশ নিম্নমুখী ছিল।এরপর অতিমারী এসে একপ্রকার শয্যাশায়ী হয়ে গেছে দেশের অর্থব্যবস্থা। সমস্ত অর্থনৈতিক লেনদেন বন্ধ থাকার ফলে রাজকোষে টান পড়েছে। তাই
এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্র রাজ্যগুলিকে জিএসটি ক্ষতিপূরণ দিতে সক্ষম হচ্ছে না। জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকের পর কেন্দ্র সব রাজ্যকে জিএসটি ক্ষতিপূরণের রাজস্ব ঘাটতি মেটাতে দুটি উপায়ে ধার নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। এই প্রস্তাব মানতে পারেনি অ-বিজেপি রাজ্যগুলি। এতে সংসদীয় গণতন্ত্রের আদর্শ ক্ষুণ্ণ হচ্ছে বলে অভিযোগ করে প্রধানমন্ত্রী এবং অর্থমন্ত্রীকে চিঠি লিখেছে বেশ কয়েকটি রাজ্য।

প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখেছেন এরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। নবান্নে আজ এক বৈঠকে একথা জানান মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্রীয় সরকার নিজের প্রতিশ্রুতি রাখতে ব্যর্থ। রাজ্যের প্রাপ্য টাকা নিয়ে বঞ্চনা করা হচ্ছে। আগে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা বলে এখন ধার নিতে বলা হচ্ছে রাজ্যগুলিকে। এতে সংসদীয় গণতন্ত্র দুর্বল হবে। কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাত ঘটবে।

আরও পড়ুন মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে আইএসএল-এ ইস্টবেঙ্গল, এল বিনিয়োগ

পাশাপাশি নিট-জেইই ইস্যুতে আলোচনা করতে গিয়ে সুর চড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এত জেদ, এত অহংকার কেন? আমি সংবাদমাধ্যমে দেখেছি বহু পরীক্ষার্থী পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছাতে পারেন নি। আমার কাছে হিসেব রয়েছে 25% পরীক্ষার্থী অনেক বাধা পেরিয়ে পরীক্ষা দিতে পেরেছেন। 75% পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছতে পারেননি। ফলে যারা পৌঁছতে পারেননি তাদের একটা বছর নষ্ট হল। পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন করেছিলেন। কারণ বর্তমান পরিস্থিতিতে গণপরিবহন ব্যবস্থা আগের মতো নেই। রয়েছে সংক্রমণের ঝুঁকিও। কিন্তু এই পরিস্থিতি বিবেচনা না করে স্বেচ্ছাচারিতা করছে কেন্দ্র।”

You may also like

3 comments