Home কলকাতা লক্ষ্মীপুজোয় ভালো নেই কুমোরটুলির শিল্পীরা

লক্ষ্মীপুজোয় ভালো নেই কুমোরটুলির শিল্পীরা

by banganews

দুর্গাপুজোর অষ্টমী থেকেই বৃষ্টির পূর্বাভাস ছিল। সেখানে পুজো ক’দিন সামলে দিয়েছে বৃষ্টি। কিন্তু পুজো শেষ হতে না হতেই শুরু হয়ে গিয়েছে বৃষ্টি। কখনো বা মুষলধারে বৃষ্টি। এ বৃষ্টি যেন ছেড়ে যাওয়ারই নয়। একনাগাড়ে বৃষ্টি হয়েই চলেছে।

আর এই বৃষ্টির মধ্যে বাজারের অবস্থাও খারাপ। দুর্গাপুজোর পরেই শুরু লক্ষ্মীপুজোর তোড়জোড়। কুমোরটুলি লাভের মুখ আর দেখছে না এ বছর। কুমোরটুলি থেকে লক্ষী প্রতিমা কেনা শুরু করে দিয়েছেন বহু মানুষ। তবে বৃষ্টির জন্য যতটা বিক্রি হবে বলে মনে করেছিলেন প্রতিমা শিল্পীরা, তার অর্ধেক ক্রেতাও হয়নি রবিবার। তাই বেশ কম দামেই প্রতিমা বিক্রি করে দিতে হচ্ছে।

এমনিতেই করোনার কারণে কুমোরটুলির শিল্পীদেরও সাবধানে চলতে হয়েছে ব্যবসার ক্ষেত্রে। এবছর আদৌ কেমন বিক্রি হবে তা ভেবেই কম সংখ্যক মূর্তি বানিয়েছেন। মূর্তি তৈরির উপাদানের দাম বেড়ে গেলেও মূর্তির দাম অন্যবারের থেকে ৫০-১০০ টাকা বাড়িয়েছেন হয়তো। তাতে আসলে লাভের কিছু নেই।

আরো পড়ুন

সংরক্ষিত হচ্ছে “ভাগের মা” প্রতিমা

কুমোরটুলির শিল্পীরা আর লাভ চানও না,অন্তত কেনা দামটুকু উঠে এলেও যথেষ্ট। করোনা কোভিড আবহে পেটে টান পড়েছে শিল্পীদের। তার উপর আবার এ বছর আকাশঢালা বৃষ্টি। বৃষ্টিতে অনেকেই ঠাকুর কিনতে আসতেই পারেনি। লক্ষ্মীপুজোতেও বৃষ্টির হাত থেকে রেহাই নেই। যদি পাড়ার দোকান থেকে লোকে ঠাকুর কিনে নেয় সেই চিন্তায় কুমোরটুলির শিল্পীরা কেনা মূল্যেই প্রতিমা বিক্রি করছেন।

তাঁরা জানাচ্ছেন, প্রতিমার দাম মোটামুটি ৩০০ থেকে হাজার টাকা পর্যন্ত। ডাকের সাজের প্রতিমা আরও বেশি। ছাঁচের ঠাকুরের দামও ৩০০-৭০০ এর মাঝামাঝি। প্রতিমা তৈরির খরচ বেড়েছে। কিন্তু দাম বাড়াতে পারেননি তারা। লাভের কথা না ভেবেই চলছেন শিল্পীরা। এরকম বৃষ্টি চলতে থাকলে খুবই সমস্যা। প্রতিমা ঘরে পরে থাকার চেয়ে কেনা দামে বিক্রি করে দেওয়া ভাল বলে মনে করছেন ওরা।

তবে বড় প্রতিমা এবছর অনেক কম। একদিকে করোনার ধাক্কা, অন্যদিকে বাজারের আগুন দাম! সেই সঙ্গে যোগ দিয়েছে বৃষ্টির দাপট। লক্ষী প্রতিমা ঘরে আনতে বাঙালির পকেটে টান পড়বে ভেবেই এবছর ছোট প্রতিমা বেশি কুমোরটুলিতে।

You may also like

Leave a Reply!