Home কলকাতা চিনা মাঞ্জার জালে বোটানিক্যাল গার্ডেন, সঙ্কটে পাখিরা

চিনা মাঞ্জার জালে বোটানিক্যাল গার্ডেন, সঙ্কটে পাখিরা

by banganews

কলকাতা, ২ অগাস্ট

গোধুলির আকাশে লাল নীল সবুজ পেটকাটি চাঁদিয়ালের মেলা। ক’দিন আগেও বিশেষ উৎসব ছাড়া এ দৃশ্য ছিল দুর্লভ। তবে অতিমারীর দেওয়া অবসরের সুবাদে এখন প্রতি বিকেলেই শোনা যায় ‘ভোকাট্টা’ উল্লাস। আজকাল এইসব ঘুড়িতে ব্যাপকভাবে ব্যবহার হয় চিনা মাঞ্জার। আর এই চিনা মাঞ্জাই ডেকে আনছে বিপদ।

আরও পড়ুন সন্তানের পড়াশোনার জন্য মঙ্গলসূত্র বেচে কেনা হল টিভি

এর আগে একাধিকবার চিনা মাঞ্জার জেরে দুর্ঘটনার কবলে পড়তে হয়েছে বাইক আরোহীদের। ঘুড়ি ওড়ানো যত বাড়ছে, চিনা মাঞ্জায় বিপদ বাড়ছে পাখিদেরও। এ সুতো সহজে ছেঁড়ে না। তাই বিপদ এড়াতে পারছে না পাখিরা। সবচেয়ে বেশি বিপদগ্রস্ত বোটানিক্যাল গার্ডেনের পাখিরা। প্রায় রোজই ইতিউতি পড়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে পাখিদের দেহ। কারওর ডানা ছেঁটেছে চিনা মাঞ্জা, আবার কোনও পাখির মাথা থেকে ধড় আলাদা। গার্ডেনের কর্মীরা জানাচ্ছেন, রোজই সুতোর গেরোয় আটকে পড়ছে পাখিরা। কিছু পাখির প্রাণ বাঁচানো গেলেও ডানা কাটা পাখিরা হারাচ্ছে ওড়ার শক্তি। উদ্ভিদবিজ্ঞানীরা বলছেন, কাটা ঘুড়ি আর চিনা মাঞ্জায় গোটা বোটানিক্যাল গার্ডেনে তৈরি হয়েছে অদৃশ্য জাল। এগুলিই পাখিদের মৃত্যুফাঁদ। গাছের এডাল ওডাল উড়তে উড়তে শুধু পাখিরাই যে জখম হচ্ছে তা নয়, ক্ষতি হচ্ছে গাছেরও। বড় বড় গাছ থেকে ঝুলে থাকা সুতো আঁকড়ে বেড়ে উঠছে আগাছা। এর জেরে গাছে ফাঙ্গাল সংক্রমণও বাড়ছে।

আরও পড়ুন জিটিএ বৈঠক বাতিল করে দিল কেন্দ্র

চিনা মাঞ্জা ব্যবহারে আগেই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে উচ্চ আদালত। তবে কঠোরভাবে সেই নিয়ম মানা না হলে বাঁচানো যাবে না পাখিদের। তাই প্রশাসনকে বিষয়টিতে পদক্ষেপ করার আর্জি জানিয়েছে বোটানিক্যাল গার্ডেন কর্তৃপক্ষ।

 

You may also like

Leave a Reply!