Home কলকাতা আড়ম্বরহীন কুমারী পুজো বেলুড় মঠে

আড়ম্বরহীন কুমারী পুজো বেলুড় মঠে

by banganews

গতবছরেও কোভিডের কারণে বেলুড়মঠে পুজো হয়েছে খুব সাধারণ ভাবে। একেবারেই অনাড়ম্বর পুজো। না আছে ভক্তরা, না আছে পুজোর সেই জাঁকজমক।

গতবছরের মতো এবারও অষ্টমীতে জাঁকজমকহীন মঙ্গলারতির আয়োজন হল বেলুড়মঠে। তারপরই শুরু হয় কুমারী পুজো। বাইরের কোনও ভক্তের উপস্থিতি ছিল না। করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে এবারও জৌলুসহীন কুমারীপুজোর আয়োজিত হল বেলুড় মঠে। স্বামী বিবেকানন্দের হাত ধরে শুরু হয়েছিল এই কুমারী পুজো। সেই ঐতিহ্য আজও বহমান। জাঁকজমকে ভাটা পড়লেও রীতি-রেওয়াজে কোনও ছেদ পড়েনি।

বেলুড়ে প্রথম কুমারী পুজো চালু করেন স্বামী বিবেকানন্দ । ১৯০১ সালে মা সারদার উপস্থিতিতে শঙ্খ, বাদ্য, অর্ঘ, বলয় ও বস্ত্রাদি সহযোগে ৯ জন কুমারীকে পুজো করেছিলেন তিনি। সেই থেকেই এই পুজো নিষ্ঠা সহকারে পালন করে চলেছে বেলুড় মঠ কর্তৃপক্ষ। প্রায় প্রতিবছরই একাধিক কুমারীকে উমা রূপে পুজো করা হয়।

আরো পড়ুন

জনাইয়ের বাঁকসার পুজোয় চতুর্ভুজা দুর্গা

কিন্তু করোনাকালে সেই নিয়মে কিছু বদল ঘটাতে হয়েছে। গতবছরের মতো এবারও একজন কুমারীকেই পুজো করা হয়। সকাল ৯টায় শুরু হয় কুমারী পুজো। এবারের কুমারী শরণ্যা চক্রবর্তী। বাবা সোমশেখর চক্রবর্তী এবং মা শ্বেতশ্রী চক্রবর্তীর একমাত্র মেয়ে শরণ্যাকে কোলে করে মণ্ডপে প্রবেশ করান সন্ন্যাসীরা। করোনা সচেতনার বার্তা দিতে কুমারীর মুখেও ছিল মাস্ক।

রীতি মেনেই অষ্টমীর দিন সকালে প্রথমে মঙ্গলারতি হয়। তারপর শুরু হয় মহাষ্টমীর পুজো। আগে অষ্টমীতে বেলুড় মঠে ভিড় জমাত অগণিত ভক্ত। মঙ্গলারতি থেকে কুমারী পুজোর সরাসরি সম্প্রচার দেখা যেত বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে। এখন সে সবই ঢিলে হয়েছে অনেকটাই।

অষ্টমীর দিল অঞ্জলি মাস্ট।নতুন শাড়ি এবং পাঞ্জাবি পরে অঞ্জলি দিতেন অনেকে। তবে এবার যে কোনও মণ্ডপে গিয়ে অঞ্জলি দিতেও করোনা টিকার দু’টি ডোজ নেওয়া বাধ্যতামূললক।

You may also like

Leave a Reply!